জীবনধারা
Trending

কৃষ্ণ নামেই লুকিয়ে শান্তির ঠিকানা

কৃষ্ণ নামেই লুকিয়ে শান্তির ঠিকানা

‘রাধে কৃষ্ণ বল সঙ্গে চল’। ঠিক এই বলেই পুজোর বাজারে নেমে পড়েছে কুমোরটুলি পার্ক। তাঁদের এই বছরের থিমের নাম ‘স্বপ্নের রাখাল’। খুব একটা পুরনো পুজো নয় উত্তর কলকাতার এই সার্বজনীন ক্লাবের দুর্গা আরাধনা। তবে কম সময়েই দর্শকের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

‘স্বপ্নের রাখাল’ অর্থাৎ কৃষ্ণকে বোঝানো হয়েছে। তিনি এখানে দুর্গা মণ্ডপেও প্রেমের বার্তা দেবেন। সমস্যায় তিনিই হবেন সখা। তাই কুমোরটুলির দাবি কৃষ্ণ নাম করুন, তাহলেই মিলবে শান্তি। হতে পারে বহু সমস্যার সমাধান। জীবনে হাজারও দুঃখের মাঝে মুক্তির হাওয়া কৃষ্ণ। তার লীলা খেলা দেখেছে গোকুল। দেখেছে বৃন্দাবন। এবার সেই কৃষ্ণ লীলা দেখবে মহানগরের পটুয়া পাড়ার পুজো।

কুমোরটুলি পার্কের এই বছরের মণ্ডপ গড়ছেন প্রশান্ত পাল। গত বছর থেকেই মহানগরের বুকে নিজের জায়াগা করে নিয়েছেন এই শিল্পী। এবার কুমোরটুলি পার্কের মতো বড় ক্লাবের মণ্ডপ গড়ার দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। তাঁর হাতেই গড়ে উঠছে দুর্গা মণ্ডপের অন্দরমহলে কৃষ্ণের লীলাখেলা। প্রশান্ত পাল বলেন, “আমরা ঈশ্বর রূপে কৃষ্ণকে কল্পনা করেই থাকি। মানুষের বর্তমান জীবনযাত্রা খুবই খারাপ। কৃষ্ণ নাম জপেই মিলতে পারে স্বস্তি।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “ভগবান কৃষ্ণের বাল্যরূপে রয়েছে ভালবাসা, স্নেহ। তিনি বহু বিপদ থেকে মানুষকে রক্ষা করেছেন। ঠিক তেমনভাবেই তিনি রক্ষা করবেন বর্তমানে বিপদগ্রস্ত মানুষকে। কমবে মানুষের লোভ লালসা। শান্ত হবে পৃথিবী।”

শিল্পীর কথায়, “মণ্ডপে এসে মানুষের বোধ হবে যে তারা এক ওপার শান্তির স্থানে এসে পৌঁছেছেন। কৃষ্ণের জীবন কাহিনী দেখে তাঁদের মনে হতে পারে তারা যদি কৃষ্ণ নাম জপ করেন তাহলে তাদেরও মিলতে পারে শান্তি।”

মণ্ডপের ভিতরে এবং বাইরে সমস্ত স্থানই এই শান্তির বার্তা দেবে। মাধ্যম কৃষ্ণের জীবন কাহিনী। কিন্তু কৃষ্ণের সঙ্গে দুর্গার মেলবন্ধনটা কোথায় হবে? প্রশান্ত বলেন, “সংসারে মা থাকে, বাবাও থাকেন। কৃষ্ণ যদি এখানে পিতার মতো রক্ষাকর্তা হন দুর্গা হবেন মা যিনি স্বপরিবারে হাজির হয়েছেন তাঁর ভক্তদের রক্ষাকর্তা হিসাবে।”

গত তিন মাস ধরে গড়ে উঠছে মণ্ডপ। প্রশান্তের আশা, এই বছর কুমোরটুলি পার্ক ভালো ফল করবে। সেই আশায় তিনিও জপছেন কৃষ্ণ নাম।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close
Bitnami